পবিত্র হেরা গুহা, যেখানে ধ্যানমগ্ন থাকতেন মহানবী সা:

ধর্ম ডেস্ক : সর্বপ্রথম কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার স্থান হিসেবে এই গু’হা প্রসি’দ্ধ। ইসলাম অনুযায়ী শবে কদরে আল্লাহর তরফ থেকে ফেরেশতা জিব্রাইল (আ:) এই গু’হায় সর্বপ্রথম মুহাম্মা’দ (সা:) এর কাছে কুরআনের বাণী নিয়ে এসেছিলেন।

জাবালে নূর কিংবা গারে হেরা তথা হেরা গু’হা সম্পর্কে জানতে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। জাবালে নূরে যে গু’হায় বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ধ্যানম’গ্ন থাকতেন। সেখানে ওঠা একদমই সহজ ছিল না তখন। ছিল না উপরে ওঠার কোনো সহজ পথ।

বর্তমানে যেখানে ওঠতে শক্তিশালী ও সামর’্থবান মানুষদের প্রায় ১ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যায়। প্রায় ১০০০ ফুট উচ্চতার ভ’য়ং’কর পথ পাড়ি দিয়ে পাহাড়ের চূড়ায় ওঠতে বেশ কয়েকবার বিশ্রাম নিতে হয়।

সমতল ভূমি থেকে পাহাড়ের ওপরের দিকে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ ফুট পথ গাড়িতে যাওয়া যায়। সেখান থেকে ৮৯০ ফুট উচ্চতায় হেরা গু’হা অবস্থিত। হেরা গু’হায় যেতে আরও প্রায় ১০০ ফুট রাস্তা পাড়ি দিতে হয়।

কেননাপাহাড়ের চড়ূা থেকে বিপরীত দিকে একটু নিচে অবস্থিত হেরা গু’হায় যাওয়া বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। হেরা গু’হাটি পাহাড়ের সর্বোচ্চ চুড়ায় না হলেও সেখানে যেতে হলে পাহাড়ের সর্বোচ্চ চূড়ায় ওঠতে হয়। সেখানে ওঠা ছাড়া হেরা গু’হায় যাওয়ার কোনো ‘বিকল্প পথ নেই।

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে গু’হায় ধ্যান করেছিলেন, সেটি আকারে অনেক ছোট। যেখানে একজন সুঠাম’দে’হী মানুষ ঠিকভাবে নড়াচড়া করতেই ক’ষ্টকর হয়ে যায়।

অনেকেই প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্মৃ’তিবিজড়িত এ পাহাড় দেখতে যায় এবং হেরা গু’হায় নামাজ আ’দায় করে। সেখানে একজনের বেশি লোক নামাজ আ’দায় করা ক’ষ্টকর হয়ে যায়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *